দেশের ২৫ লাখ দোকান মালিকের প্রায় সবাই ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী। ২০১৩ ও ২০১৪ সালের হরতাল-অবরোধ এবং জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতিতে ব্যসায়ীরা প্রায় সর্বস্বান্ত হয়ে যায়। ২০১৫ সালের শুরু থেকে দেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে বিধায় চলতি মৌসুমে ভালো ব্যবসা হবে। এ আশায় দোকান মালিকরা যখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন ঠিক তখনই অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটে প্যাকেজ ভ্যাট বাড়িয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের মরার উপর খাঁড়ার ঘা দেয়া হয়েছে। যেহেতু প্রস্তাবিত বাজেটে ৩০ লাখ টাকা বার্ষিক টার্নওভার পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতির বিধান করা হয়েছে। সেখানে প্যাকেজ ভ্যাট বাড়ানো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাই অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেট দোকান মালিকদের হতাশ করেছে।
শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনী মিলনায়তনে বিরাজমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতির ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দোকান মালিক সমিতির মহাসচিব মো. শাহ আলম খন্দকার।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির চেয়ারম্যান এম কাদের কিরণ। সমিতির যুগ্ম সম্পাদক কাশেম পাটোয়ারী, যুগ্ম মহাসচিব এস এম সাইদ সুফি, রফিকুল ইসলাম আইয়ুব প্রমুখ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে শাহ আলম খন্দকার বলেন, ‘২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী বা দোকানের এলাকাভিত্তিক প্যাকেজ ভ্যাট ছিল ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জন্য ১১ হাজার টাকা, অন্যান্য সিটি করপোরেশন আট হাজার টাকা, জেলা পৌরসভা ছয় হাজার টাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকায় তিন হাজার টাকা। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে যথাক্রমে, ১৪ হাজার টাকা, ১২ হাজার টাকা, সাত হাজার টাকা এবং তিন হাজার ৬০০ টাকা।