ডিএসইর লেনদেনে চারশ’কোটি টাকার নিচে

 
 
পুঁজিবাজারে  সোমবার সূচক ও লেনদেন মিশ্রভাব দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কমলেও কিছুটা বেড়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক। এদিকে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে লেনদেন বাড়লেও ডিএসইর লেনদেন চারশ’ কোটি টাকার নিচেই রয়ে গেছে। 
 
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন কোম্পানির পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিনিয়োগ করছেন। যেসব কোম্পানির দাম তুলনামূলক কম সেখানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে।  
 
তথ্যে দেখা গেছে,  ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৭ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৮০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭২ কোটি ২২ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১৫৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৩টি কোম্পানির শেয়ারের। 
 
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৯১৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৪টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৯০টির কমেছে ১১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
 
ডিএসই জানিয়েছে, ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জাহিন স্পিনিং। আমদানির জন্য গত ইতিমধ্যে ১৭ জুন পৃথক ৩টি এলসি খোলা হয়েছে।  কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সফলভাবে স্পিন্ডালসসমূহ স্থাপনে সমর্থ হলে প্রতিদিন ৪ হাজার ২৪০ কেজি সুতা উত্পাদন ক্ষমতা বাড়বে। এতে বছর শেষে কোম্পানির আয় ৪ কোটি টাকা বাড়বে।  কোম্পানিটির যন্ত্রপাতি আমদানির খবরে সোমবার শেয়ারের দর ৩ শতাংশ বেড়েছে।
 
এদিকে কোরিয়ান কোম্পানি কমিশনের অনুমোদন ছাড়া ৩ দফায় পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ বাড়িয়েছে। যে কারণে কোম্পানিটিকে সতর্কপত্র ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এেচঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 
 
সোমবার বিএসইসির কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিএসইসি জানিয়েছে, সাভারে অবস্থিত কোম্পানিটি পুঁজি উত্তোলন প্রস্তাবে ভ্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। পরিশোধিত মূলধন ১৪ কোটি ১৭ লাখ টাকার পরিবর্তে ৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা উল্লেখ করেছে। যা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর সেকশন ১৮ এবং ২এ(১)-এর লঙ্ঘন।