মাছের জন্য বিখ্যাত কুলিয়ারচর উপজেলায় এখন মাছের আকালে পড়েছে। এক সময় কুলিয়ারচরের মাছ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এলাকার চাহিদা মিটাতে পারছে না। বর্ষা শুরু হলেও কোথাও মিলছে না মাছের দেখা। ভাটির প্রবেশ দ্বার হিসেবে খ্যাত কুলিয়ারচরে হাওড় অঞ্চলের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার প্রচুর মাছ আমদানি হতো।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যদি সরকার কঠোরভাবে মত্স্য আইন প্রয়োগ করে কারেন্ট জাল ও মশারি জাল ব্যবহার নিষিদ্ধ করে তবে মাছ উত্পাদন বৃদ্ধি পাবে বলে মত্স্য ব্যবসায়ীরা মনে করেন। অন্যদিকে দূর হবে কুলিয়ারচরে মাছের অভাব। উপজেলার সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা প্রণব কুমার কর্মকার সাংবাদিকদের জানান, যদি সরকারি আইন যতাযতভাবে প্রয়োগ করা যায়, নদী খনন করে নাব্যতা বৃদ্ধি করা যায় এবং পোনা নিধন বন্ধ করা যায় তবে মাছের আকাল দূর করা সম্ভব।