গাজীপুরে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত

গাজীপুরে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মামুনুর রশিদ মামুন (৩৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি টঙ্গী ভরান এলাকার মৃত রুহুল আমীনের ছেলে।
 
র‌্যাব-১ এর অপারেশন অফিসার মুহিত কবির সেরনিয়াবাত জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে টঙ্গী-কালীগঞ্জ সড়কে মাইক্রোবাস নিয়ে স্বশস্ত্র একদল দুর্বৃত্ত ডাকাতি বা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে তাদের একটি টহলদলের মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে। এ সময় পেছন থেকে র‌্যাবের আরেকটি টহলদল পিকাপ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে তারা গুলি বর্ষণ শুরু করে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালালে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে সেখানে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলিসহ একটি ম্যাগজিন ও দুইটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, নিহত মামুন একাধিক হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত পলাতক আসামি। ডাকাতদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সার্জেন্ট আলাউদ্দিন ও হাবিলদার মো. আমিনুল ইসলাম নামে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত মামুনের লাশ গাজীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
 
র‌্যাব জানায়, গুলিবিদ্ধ দুষ্কৃতিকারী টঙ্গী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন। কয়েকটি হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই, অস্ত্রবাজি, ভাড়াটে খুনি হিসেবে কাজ করার বহু অভিযোগ আছে।
 
ওই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আব্দুস সালাম সরকার জানান, মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে র‌্যাব সদস্যরা মৃত এক যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, তার বুকে দুটি এবং পেটের বাম দিকে একটি গুলি লেগেছে।
 
নিহত মামুনের খালাতো ভাই বিপ্লব জানান, মামুন রবিবার রাত ১০টার দিকে তার বাড়ির কাছে একটি দোকানে বসে টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখছিল। এ সময় সাদা পোশাকের একদল লোক তাকে মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার সকালে তার লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন। মামুন টঙ্গী এলাকায় গার্মেন্টসের কারখানার কাপড়ের ব্যবসা করতেন।