তারেকের নামে একাধিক পাসপোর্ট কিভাবে

মেয়াদ শেষের আগেই বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাসপোর্ট লন্ডন থেকে কীভাবে নবায়ন করা হয়েছিল এবং তা আইন অনুযায়ী হয়েছিল কি না ও তার নামে একাধিক পাসপোর্ট কিভাবে ইস্যু করা হয়েছে তা প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিল করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

 
আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে এ সংক্রান্ত দুটি প্রতিবেদন পররাষ্ট্র সচিব ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দাখিল করতে বলা হয়েছে। গতকাল বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
 
আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনার এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট তারেক রহমানের বিদেশে অবস্থান ও তার পাসপোর্টের বিষয়ে তথ্য জানতে চায়। আদালতের এ নির্দেশ মোতাবেক হাইকোর্টে দুটি প্রতিবেদন পেশ করেন পররাষ্ট্র সচিব ও আইজিপি।
 
ওই প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, ২০০৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যে পাসপোর্ট নিয়ে তারেক রহমান লন্ডনে গিয়েছিলেন, তার মেয়াদ ছিল ২০১০ সাল পর্যন্ত। তবে লন্ডনে যাওয়ার পর ২০০৮ সালের ডিসেম্বর আবার পা সপোর্টের নবায়ন করা হয়, যার মেয়াদ ছিল ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ২০০০ সাল  থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তারেক রহমানের নামে চারটি পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
 

আদালতে এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। হাইকোর্ট প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ওই আদেশ দেয়।