চট্টগ্রামে পাহাড়ের পাদদেশে লক্ষাধিক মানুষ ঝুঁকিতে

দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে লক্ষাধিক মানুষ। চলতি বর্ষার যে কোন মুহূর্তে পাহাড় ও ভূমি ধসে প্রাণহানির আশংকা করছেন অনেকে। বিভিন্ন সূত্রে  জানা যায়, গত তিন দশকে পাহাড় ও ভূমি ধসের ঘটনায় ওই এলাকায় অর্ধশতাধিক লোক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই শতাধিক। শুধু বাঁশখালি উপজেলায় গত দশ বছরে মারা গেছে ১৭ জন। আনোয়ারা উপজেলার বটতলী, হাজীগাঁও, বুরুমছড়া, শাহমিরপুর, চন্দনাইশের দোহাজারী, জামিজুরি, ধোপাছড়ি, বাঁশখালীর গুণাগরী, বানিগ্রাম, কালীপুর, বৈলছড়ি, জলদি, চাম্বল, নাপোড়া, সাতকানিয়ার চনখোলা, চরতি, বাজালিয়া, পুরানগড়, ছদাহ এবং লোহাগাড়ার বড়হাতিয়া, চুনতি, পুটিবিলা, কলাউজান, চরম্বা প্রভৃতি এলাকার পাহাড়ের ঢালে শত শত পরিবার বসতি স্থাপন করে বসবাস করছে। এখনো এসব এলাকায় পাহাড় ও গাছ কাটা অব্যাহত রয়েছে।

 

পাহাড়ী এলাকায় বসবাসকারীরা জানান, পাহাড় ও ভূমি ধসের ভয় থাকলেও অন্য কোন উপায় ও আশ্রয় না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিতে বসবাস করছে। ইউপি চেয়ারম্যানরা জানান,  পাহাড়ী এলাকায় প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বাড়ি-ঘর হয়েছে। ঝুঁকির কথা স্বীকার করেন  তিনিও।