চীনের নেতৃত্বে যাত্রা করছে এশীয় ব্যাংক

বিশ্বব্যাংক ও এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনের নেতৃত্বে আসছে নতুন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)। গতকাল সোমবার এ ব্যাংকে যোগ দিতে চীনের বেইজিংয়ের গ্রেট হলে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ বছরের শেষ দিকে আরো সাতটি দেশ যোগদানের কথা রয়েছে। খবর বিবিসি’র।

 
চীনের নেতৃত্বাধীন এই ব্যাংকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে ভারত, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, জামার্নি, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া যোগ দিলেও যোগ দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান। বরং ব্যাংকটির প্রশাসন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাতে যোগ না দেয়ার জন্য মিত্র দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এআইআইবি প্রাথমিকভাবে ৫০ বিলিয়ন  মার্কিন ডলার অনুমোদিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করবে। পরে যা ১শ’ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে। চীনের অর্থমন্ত্রী লুউ জিয়েই দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, এ বছরের শেষ দিকেই এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনেভস্টমেন্ট ব্যাংক যাত্রা শুরু করবে। গত অক্টোবরে চীনের নেতৃত্বে ২১ টি দেশ এআইআইবি গঠন করে। ব্যাংকটি এশিয়ায় জ্বালানি, পরিবহন ও অবকাঠামো উন্নয়নে তহবিলের জোগান দেবে।
 

ব্যাংকটির যাত্রা শুরু হলে এটা কেবল চীনের কূটনৈতিক জয়ই হবে না, বড় ধরনের অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যও সাধিত হবে। চীন চায় তার দেশের অবকাঠামো সংক্রান্ত জিনিস বিদেশে যাক। দেশটির প্রকৌশলীরা বিভিন্ন দেশের বন্দর, রাস্তা এবং শহর গড়ে তুলতে সহায়তা করতে প্রস্তুত। ব্যাংকটিতে সর্বোচ্চ শেয়ার থাকবে চীনের। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শেয়ার থাকবে ভারতের। চীনের শেয়ার থাকবে ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এর ফলে চীন ব্যাংকটির কার্যক্রম পরিচালনায় ২৬ দশমিক ০৬ শতাংশ ভোটাধিকার লাভ করবে। আর ভারতের শেয়ার থাকবে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। তৃতীয় সর্বোচ্চ শেয়ার থাকবে রাশিয়া এবং জার্মানির।