প্রশিক্ষণ চলাকালে বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এফ-৭ যুদ্ধবিমানের পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রুম্মন তাহমিদ চৌধুরীকে খুঁজতে অভিযান অব্যাহত আছে।
মঙ্গলবার সকালে কোস্টগার্ড জানিয়েছে, সারা রাত সাগরে তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু নিখোঁজ বৈমানিকের কোনো খোঁজ মেলেনি। কোনো অন্য কোনো ধ্বংসাবশেষেরও সন্ধান মেলেনি।
নৌ বাহিনীর জাহাজ অতন্দ্র, মধুমতী ও সুরভী, কোস্টগার্ডের জাহাজ তৌফিক ও তিনটি মেটাল শার্ক বোট এবং বিমান বাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার সকাল ১১টায় নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনে এফ-৭ ফাইটার বিমানটি নিয়ে জহুরুল হক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করেন তাহমিদ। প্রায় ১৫ মিনিট পর পাইলটের সাথে ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ কক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার ১৫ মিনিট পর সকাল সাড়ে ১১টায় বিমানটি পতেঙ্গা সমুদ্র উপকূলের কাছে সাগরে বিধ্বস্ত হয়। উপকূলীয় জেলেরা জানান, চোখের পলকে বিমানটিকে তারা পানিতে আঁঁছড়ে পড়তে দেখেন।
খবর পাওয়ার পরপরই বিমান বাহিনীর উদ্ধারকারী দল ২টি হেলিকপ্টার নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল ও আশেপাশে অভিযান শুরু করে।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার নূরে আলম জানান, সকালে বিমান বাহিনীর ফাইটার এফ-৭ বিমানটি পতেঙ্গা সমুদ্র উপকূল থেকে ৬ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত হয়।
কুমিল্লা ইস্পাহানী স্কুল এ্যান্ড কলেজে থেকে ২০০৬ সালে এএসসি ও ২০০৮ সালে ঢাকার নটরডেম কলেজ এইচএসসি উত্তীর্ণ হওয়ার পর ২০১০ সালে রোম্মান তাহমিদ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৬২তম জিডিপিতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। ঢাকার শান্তিনগরে পিতা আব্দুল কাদের চৌধুরী বসবাস করেন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তাহমিদ সবার বড়। তিনি অবিবাহিত।