নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশ বাংলাদেশ: বিশ্ব ব্যাংক

মাথপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।
 
বুধবার সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
 
একই সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে- বাংলাদেশের সঙ্গে কেনিয়া, মিয়ানমার ও তাজিকিস্তান নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। 
 
এই দেশগুলোর মানুষের মাথাপিছু বার্ষিক আয় ১ হাজার ২৪ ডলার থেকে ৪১২৫ ডলার। 
 
২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ সরকারের হিসেবে মাথাপিছু আয় এখন ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
 
কয়েক মাস আগে এই তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছিলেন, মাথাপিছু আয়ের এই হিসাবে (নমিনাল) বাংলাদেশের অর্থনীতি পৃথিবীতে ৫৮তম।
 
আর ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে (পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি) আমাদের মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ১৯০ ডলার। ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে আমাদের অর্থনীতি পৃথিবীর ৩৬তম।
 
বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ এখন থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত হবে।
IMG0
 
প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে। যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।