পুঁজিবাজারে বৃহস্পতিবার দরপতন হয়েছে। সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন—তিন কর্মদিবস টানা সূচক বৃদ্ধির পর কিছুটা দরপতন হওয়াই স্বাভাবিক। তাই এটা বাজারের স্বাভাবিক দরসংশোধন।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে— প্রত্যাশিতভাবেই বাজারে কিছুটা নিম্নমুখী ধারা দেখা গেছে। এ ছাড়া, বাজারে বড় ও মধ্যম ধরনের মূলধনী কোম্পানিগুলোর দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।
এ দিকে, লেনদেনের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল ইঞ্জিনিয়রিং খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি টাকার, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ শতাংশেরও বেশি।
তথ্যে দেখা গেছে—ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ১০ কমে ৪ হাজার ৫৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৩ বেড়ে ১ হাজার ৭৭২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫০৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৮৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১২টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩০টির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫০টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৬ কমে ১৪ হাজার ৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৫১ কোটি ৮২ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১২ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৪৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৩টির, কমেছে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টি কোম্পানির শেয়ারের দর।