প্রস্তুতি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৮ উইকেটের পরাজয়

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচটি সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ছিলো স্রেফ কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার ম্যাচ। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশে খেলা জাতীয় দলের বাইরে থাকা ও অনেকদিন পরে দলে ফেরাদের অনেকের জন্য ম্যাচটি ছিলো নিজেকে প্রমাণ করার ম্যাচ। ‘হালকা’ ম্যাচটিতেই দক্ষিণ আফ্রিকা দল তাদের দাপটের চূড়ান্ত রূপ বুঝিয়ে দিলো। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৮ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে সফরকারীরা। যদিও কোনো উইকেট হারাতে হয়নি আফ্রিকানদের; ডি ভিলিয়ার্স ও ডি কক অবসর নিয়েছিলেন।

 
দক্ষিণ আফ্রিকাকে কেন এই সময়ের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল মনে করা হয়, সেটা বুঝিয়ে দিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড একাদশকে গুঁড়িয়ে দিয়ে। টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) একাদশ। সে সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে ফিরে আসে ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই। কাইল অ্যাবটের ঐ ওভারের দ্বিতীয় ও শেষ বলে দুই ওপেনার রনি তালুকদার ও এনামুল হক বিজয়কে হারায় বিসিবি একাদশ। সেই তিন ওভার পর্যন্ত বিসিবি একাদশের সংগ্রহ ছিলো মাত্র ৬ রান।
 
শুরুর ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইমরুল কায়েসের দল। যদিও অধিনায়ক নিজে ২৯ রান করে একটা মান বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। শুভাগতকে নিয়ে ছোট একটা জুটিও গড়েছিলেন। মাত্র ১৮ ওভারে শতরান থেকে ঠিক এক রান কম থাকতেই অলআউট হয়ে যায় বিসিবি একাদশ।
 
১০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে বর্তমান সময়ের ভয়ঙ্করতম ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স ও কুইন্টন ডি কক। ঝড়ের গতিতে রান তুলে ডি কক ৩৫ ও ডি ভিলিয়ার্স ২৫ রানে স্বেচ্ছা অবসর নিলেন। এরপর মঞ্চে এলেন জেপি ডুমিনি ও আইপিএলে খুনে ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি পাওয়া মিলার। দু’জনে যথাক্রমে ১৭ ও ২০ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন।
 
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
 
বিসিবি একাদশ: ১৮ ওভারে ৯৯/১০ (রনি ১, বিজয় ৩, ইমরুল ২৯, সৈকত ৫, শুভাগত ১৮, মোসাদ্দেক ০, মাহমুদুল ৫, সোহাগ ১৩, আবুল ৫, রাজ্জাক ৮, রাব্বি ১*; উইসে ৩/১৩, অ্যাবট ২/৩, ফানগিসো ২/২৯, রাবাদা ১/৯, এডি ১/১১, ডুমিনি ১/১৬)
 

দক্ষিণ আফ্রিকা: ১২ ওভারে ১০১/২ (ডি কক ৩৫ অবসর, ডি ভিলিয়ার্স ২৫ অবসর, ডুমিনি ১৭*, মিলার ২০*)