নারায়ণগঞ্জে ৭ খুন: দুই মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণ, গ্রেফতারি পরোয়ানা

 
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় করা দুই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এছাড়া একটি মামলার নারাজ আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে। বুধবার সকালে জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সাইদুজ্জামান শরিফ এসব আদেশ দেন।
 
সাত খুনের ঘটনায় জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) দাখিল করা অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে একটি মামলার বাদী নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম নারাজি আবেদন করেছিলেন। ওই আবেদনের ওপর গত ৮ জুন শুনানি হয়। আদেশের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। আদালত ঐ আবেদন নাকচ করে দুই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।
 
গত বছরের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে কাউন্সিলর নজরুল ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
 
এ ঘটনায় নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ও চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। এ ঘটনায় ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২২ আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
 
গত ৮ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ মণ্ডল র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ২২ জন কারাগারে রয়েছেন। র‍্যাবের আট সদস্যসহ ১৩ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আটকের পর সেখানেই কারাগারে আটক রয়েছেন।