মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কিশোরগঞ্জের নিকলি উপজেলার মোহাম্মদ মোসলেম প্রধানকে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২। বুধবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে আইনজীবী নিয়োগ করতে বলা হয় আসামি মোসলেমকে ।
মোসলেম প্রধান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নিকলি থানা রাজাকার কমান্ডার সৈয়দ মো. হুসাইনের সঙ্গে একই মামলার আসামি। মঙ্গলবার তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। পরোয়ানা জারির পর নিকলি উপজেলার কামারহাটি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোসলেমকে গ্রেফতার করে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।
এ মামলায় নিকলি থানার রাজাকার পলাতক সৈয়দ মো. হুসাইন হচ্ছে মূল আসামি। তার সাথে সেও একজন আসামি। হাসান আলীকে গত ৯ জুন ফাঁসি অথবা ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়ে রায় দেয় ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ জানান, নিকলির রাজাকার কমান্ডার সৈয়দ মো. হুসাইন ও তার সহযোগী মোহাম্মদ মোসলেম প্রধানের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে হত্যা, ধর্ষণ ও অপহরণসহ ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামি এবং তাদের লোকজন তদন্ত কাজে বাধা ও নানাভাবে সাক্ষী এবং তাদের হাতে নির্যাতিতদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছিল বলে অভিযোগ করা হয়।