জঙ্গি হামলা ঠেকাতে লিবিয়া সীমান্তে একটি প্রাচীর নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে তিউনিসিয়া। উপকূলীয় এলাকায় ১৬০ কিলোমিটার জুড়ে তৈরি করা হবে এ প্রাচীর। এ বছর শেষ নাগাদ এর কাজ শেষ হবে বলে রাষ্ট্রীয় টিভিতে জানিয়েছেন তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রী হাবীব এসিদ।
গত ২৬ জুন তিউনিসিয়ার সুস শহরে সৈকতে হামলা চালিয়ে ৩৮ জনকে হত্যা করে এক জঙ্গি। নিহতদের মধ্যে ৩০ জনই ব্রিটেনের নাগরিক। হামলাকারী সেই বন্দুকধারী লিবিয়া থেকে জঙ্গি হামলার প্রশিক্ষণ নিয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। তার আগে দেশটির রাজধানী তিউনিসে বার্দো জাদুঘরে অনুরূপ বন্দুক হামলায় ১৮ জন নিহত হয়।
হামলার পর তিউনিসিয়া জরুরি অবস্থা জারি করে রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এসিদ জানান, তিউনিসিয়ার সেনাবাহিনী প্রাচীরটি তৈরি করবে। প্রাচীরটির কয়েকটি জায়গায় থাকবে নজরদারি কেন্দ্র।
সুস শহরে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। হোটেল এবং সৈকতে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৪০০’র বেশি সশস্ত্র সদস্য।
গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী এসিদ বিবিসি কে বলেছেন, সুস শহরে হামলাকারী সেইফেদ্দিন রেজগুই খুব সম্ভবত আনসার আল-শারিয়া গ্রুপের সঙ্গে লিবিয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। যদিও এর আগে আইএস ওই হামলায় জড়িত থাকার দাবি করেছিল।
জঙ্গি হামলায় উস্কানি দেয়ার অভিযোগে ৮০টি মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি।