রাজধানীর কদমতলী, বনানী, মিরপুর ও পল্লবীতে পৃথক ঘটনায় ৪ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন—রাজমিস্ত্রি মাসুদ মিয়া (২৮), স্কুল-ছাত্রী পৌষি টনচং নিতু (১৭), নিলুফা বেগম (৪০) ও শাহনুর ইসলাম শিমুল (২৮)। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।
রাজমিস্ত্রি মাসুদ মিয়ার সহকর্মী বেলাল হোসেন জানান—শনিবার সকালে তারা বনানীর ৪ নম্বর রোডের ৩০ নম্বর বাড়ির রানী ফুড লিমিটেডের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন। ভবনের পাশে দিয়ে বিদ্যুতের লাইন টানানো রয়েছে। সাড়ে ১০টার দিকে মাসুদ মিয়া বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হন। এ সময় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দুপুর ১২টায় চিকিত্সকরা মৃত ঘোষণা করেন। মাসুদ মিয়া মহাখালী এলাকায় থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার বহরিয়া গ্রামে।
এ দিকে, ভোরে সবুজবাগের পূর্ব বাসাবো কদমতলার ‘সি’ ব্লকের ১০ নম্বর প্লটের বাসা থেকে স্কুল-ছাত্রী পৌষি টনচং নিতুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সবুজবাগ থানার এসআই আশরাফুল আলম জানান— মায়ের ওপর অভিমান করে শুক্রবার দিনগত রাত ১১টার দিকে নিজের ঘরের জানালায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে ওই স্কুল-ছাত্রী। তার বাবার নাম দুদোরাম টনচং, মায়ের নাম বিপুলা চাকমা। পৌষি টনচং নিতু কমলাপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার বারঘনিয়া গ্রামে।
অপর দিকে, মিরপুর থানার এসআই সরদার নিজামুল হক জানান—শুক্রবার দিনগত রাত ১২টার দিকে কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে একটি ট্রাক আরেকটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের আরোহী নীলুফার বেগম (৪৫) নিহত হন। আহত অবস্থায় মোটরসাইকেলের চালক নিহতের ছোট ভাই লিয়াকত আলীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত নীলুফার বেগমের স্বামীর নাম আব্দুল মাজেদ। তিনি মিরপুর কলনি এলাকায় থাকতেন।
এ দিকে, পল্লবীর কালশী এলাকায় শুক্রবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মো. শাহনুর ইসলাম শিমুল (২৮) গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।