গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে গড় লেনদেন কমেছে

 
গেল সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচক বাড়লেও গড় লেনদেন কমে গেছে। সপ্তাহের প্রথম দুইদিন সূচক কমার পর তিনদিন টানা বেড়েছে। তবে গড় লেনদেন কিছুটা কমেছে।
 
তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৫৯৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং শরীয়াহ সূচক ডিএসইএস বেড়েছে ১ দশমিক ১৩ শতাংশ। ডিএসইর ৩২৬টি কোম্পানির মধ্যে সপ্তাহ শেষে দর বেড়েছে ১৬৬টির। গেল সপ্তাহে ডিএসইতে গড় লেনদেন হয়েছে ৪৬৯ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ৪৭১ কোটি টাকা।
 
এ দিকে, ডিএসইর সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ। বর্তমানে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে। যা গত সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১৫ দশমিক ৮৬। বর্তমানে খাতভিত্তিক পিই’র হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৮ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ২৯ দশমিক ৯, প্রকৌশল খাতের ৩০ দশমিক ৪৬, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের ১২ দশমিক ৪৩, বস্ত্র খাতের ১০ দশমকি ৯১, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২৩ দশমিক ৬২, বীমা খাতের ১৪ দশমিক ৭০, বিবিধ খাতের ২৭ দশমিক ৭৮ এবং টেলিযোগাযোগ খাতের ২২ দশমিক ২৫। এদিকে ক্যাটাগরিভিত্তিক হিসাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির পিই অবস্থান করছে ১৭ দশমিক ১২ পয়েন্টে এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির ৩৬৯ দশমিক ৬০।
 
জানা গেছে—ডিএসইর বাজার মূলধন দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়ে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৫৯১ কোটি ২০ লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজগুলোর বাজারদর ও সম্পদের গড় অনুপাত (মূল্য/এনএভি) আগের সপ্তাহের চেয়ে ১ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ২৫-এ উন্নীত হয়েছে। খাতভিত্তিক বিবেচনায় গত সপ্তাহে লেনদেনে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানিগুলো। ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ শতাংশই ছিল এ খাতের শেয়ারকে ঘিরে। এর পর পরই ছিল যথাক্রমে প্রকৌশল, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি এবং বস্ত্র খাত। আর বাজার মূলধন বৃদ্ধির দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল চামড়া খাত। সপ্তাহ শেষে এ খাতের কোম্পানিগুলোর গড় বাজার মূলধন ৪ দশমিক ৭২ শতাংশ  বেড়েছে। গেল সপ্তাহে একক কোম্পানি হিসাবে দরবৃদ্ধির তালিকায় এক নম্বরে উঠে আসে জেড ক্যাটাগরির সমতা লেদার। এছাড়া মুন্নু সিরামিক, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, আরামিট সিমেন্ট এবং লিন্ডে বিডি।