বৃষ্টি মাথায় বাড়ির পথে

 
মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় সারাদেশের আকাশই মোটামুটি মেঘলা হয়ে আছে। হালকা বৃষ্টিও হচ্ছে। এর মধ্যেই নাড়ীর টানে বাড়ির পথে ছুটে চলেছে ঢাকাবাসী। ঈদের ছুটির আগে মাঝে আগামীকাল একটি কর্মদিবস রয়েছে। তাই বুধবার ঢাকা থেকে বের হওয়ার তিনটি রুটেই ছিল উপচে পড়া মানুষের ঢল।
 
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা-চিটাগাং রোড ও গাবতলী-সাভার এলাকা থেকে ইত্তেফাক প্রতিবেদকদের পাঠানো তথ্যে ডেস্ক রিপোর্ট:
বুধবার সকাল থেকে ট্রেন ও বাসের সিডিউল বিপর্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। ট্রেন দেড় থেকে দুই ঘণ্টা এবং বাস আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে। তবে বাড়ি ফেরার আনন্দে এই কষ্টকে আমলে নিচ্ছেন না ঘরমুখী যাত্রীরা।
 
IMG0
 
কমলাপুর রেলস্টেশন চিত্র: সকালে দেশের সবচেয়ে বড় এই রেলস্টেশনে যাত্রীর চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কিছুটা কমে এসেছে। সকালে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে মহানগর প্রভাতি এক্সপ্রেস। এটি প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে ছেড়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একতা এক্সপ্রেসও দেড় ঘণ্টা দেরিতে যাত্রা করেছে। তবে বেলা ১১টার দিকে স্টেশনে যাত্রীদের চাপ অনেকটাই কমছিল। স্টেশনের ম্যানেজার শীতাংশু চক্রবর্তী জানান, আগামীকাল যাত্রী চাপ আরো বাড়বে। তবে সেই সঙ্গে সিডিউল বিপর্যয় কাটিয়ে উঠার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।
 
এদিকে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোতেও ছিল ঘরমুখী মানুষের ঢল। মহাখালী, গাবতলী, সায়েদাবাদ টার্মিনালগুলো ঘুরে দেখা গেছে যাত্রীদের দুর্ভোগ। এখানেও রয়েছে সিডিউল বিপর্যয়ের অভিযোগ। তবে উত্তরবঙ্গে বাসগুলো তুলনামূলক বেশি দেরিতে ছাড়ছে। অব্যবস্থাপনায় গাবতলী থেকে আমিনবাজার যেতেই দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে। তবে সড়কে খুব একটা যানজটের আশঙ্কা নেই।
 
এছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মাঝে মাঝে দুই/তিন কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হলেও তা এখনো দুর্ভোগ সৃষ্টি করেনি।
 
যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, বাড়ি ফেরার পথে হালকা বৃষ্টি ও সামান্য সিডিউল বিপর্যয়কে কষ্ট হিসেবে দেখছেন না তারা।