শোলাকিয়ায় আসতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা

 
ঈদ-উল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য দেশের দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আসতে শুরু করেছেন। এছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন মসজিদে এসে অনেকেই অবস্থান নিয়েছেন।
 
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর শোলাকিয়া ঈদগাহে বহিরাগত মসুল্লিদের দেখা গেছে। তারা ঈদগাহ সংলগ্ন মসজিদে  অবস্থান নিয়েছেন। সন্ধ্যার ভেতরে কয়েক হাজার মুসল্লি ঈদগাহে এসে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
দেশের সবচেয়ে বড় এই ঈদ জামায়াতে অংশ নিতে অনেকেই সারারাত্রি জায়গা দখল করে মাঠেই অবস্থান করবেন। এমনই একজন নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার চরপাড়া গ্রামের হাজী মো. ফজর আলী (৮৫)। তিনি ৬৪ বার এই ঈদগাহে ঈদ-উল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। এইবার ৬৫ বারের মতো তার এই ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসা।
 
কথা হয় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার করাটিয়া গ্রামের নূর আলীর (২৭) সঙ্গে। তিনি এই প্রথমবারের মতো তার এলাকার মুরুব্বীদের সঙ্গে এই মাঠে নামাজ আদায় করতে এসেছেন। তিনি এই ঈদগাহের নাম-ডাক শুনেই এখানে এসেছেন। তার অনেকদিনের সাধ এইবার পূরণ হবে বলে জানান।
 
সারা মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, এখনও মাঠের ঘাস ভেজা এবং বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট গর্তে পানি জমে আছে। তবে বালু ফেলার কাজ পুরোদমে চলছে। দুপুরের পর থেকে রৌদ্র উঠায় মাঠ দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। রাতে যদি বৃষ্টি না নামে তাহলে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ে কোনো অসুবিধা হবে না বলে ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
 
বাড়তি নিরাপত্তা দিতে ইতিমধ্যেই পুলিশ ও আনসার সদস্যরা মাঠের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এ বছর শোলাকিয়া ঈদগাহে ১৮৮তম ঈদ-উল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জামাতে ইমামতি করবেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।