গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ওয়াপদা বাঁধের স্লুইচ গেট এলাকায় রবিবার রাতে ফজলে রাব্বী (৩২) নামে (বাংলা ভাইয়ের) জেএমবি সংগঠনের এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
নিহত ফজলে রাব্বী একই ইউনিয়নের বসন্তেরপাড়া গ্রামের মো. সাদাক্কাছ মন্ডলের ছেলে ও বাংলা ভাইয়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত (জেএমবি) সংগঠনের একজন সক্রিয় অনুসারী (সদস্য) ছিলেন।
এ ঘটনায় পুলিশ জুমাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবেক জেএমবি অনুসারী মো. এনামুল্যা মন্ডলকে (৫০) আটক করেছে।
নিহতের পিতা সাদাক্কাছ মন্ডল জানান, ফজলে রাব্বী বিগত ২০০৭ সালে জেএমবি সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। এরপর থেকে তিনি ঢাকার কোনাবাড়ী এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা করতেন। ঈদের ছুটিতে গত শুক্রবার তিনি বাড়ি আসেন। ঘটনার দিন রবিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে জুমারবাড়ি বাজার থেকে একই গ্রামের প্রতিবেশি চাচা জুমাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. এনামুল্যা মন্ডলের সাথে পায়ে হেটে বাড়ির উদ্দ্যেশে রওনা হন। পথে বাড়ির অদূরে ওই এলাকায় দু’টি মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।
সাঘাটা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়রা রাতেই তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড় টার দিকে তিনি মারা যান।
তিনি আরও জানান, ফজলে রাব্বী মূলত বাংলা ভাইয়ের (জেএমবি) অনুসারী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাঘাটা থানায় একাধিক মামলা থাকায় দীর্ঘদিন থেকে তিনি পালাতক ছিলেন।
ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, সাবেক জেএমবি সংগঠনের অর্থনৈতিক বিরোধ কিংবা সংগঠনের সঙ্গ ত্যাগ অথবা সাবেক জেএমবি সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ কোন বিরোধের জের ধরেই জেএমবির সদস্যরাই তাকে গুলি করে হত্যা করেছে।