রাজধানীর কাফরুলে পাশাপাশি দুইটি পাঁচতলা ভবনের চারটি ফ্ল্যাটে চুরি হয়েছে। ঈদ উদযাপন করতে ঐসব ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা গ্রামের বাড়িতে গিয়েছেন।
ঈদের দিন রাতে ঐ চারটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙ্গে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মূল্যবান পোশাক চুরি হয়েছে। ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা গ্রামের বাড়িতে থাকায় এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোন মামলা হয়নি। তবে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (পশ্চিম) জায়েদ শাহরিয়ার।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাফরুলের ১০৩৭/১ ও ১০৩৮ নম্বর দুইটি পাঁচতলা বাড়িতে চুরি হয়। ১০৩৭/১ নম্বর বাড়ির মালিক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মোল্লা। তিনি জানান, তার বাড়ির পাঁচতলার ভাড়াটিয়া দুইটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙ্গে চুরি হয়েছে। একটি ফ্ল্যাটে ট্রাষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ ভাড়া থাকেন। ঈদে সপরিবারে তিনি গ্রামের বাড়িতে গিয়েছেন।
ঈদের দিন রাত ১১ টায় ঐ ফ্ল্যাটের পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া গার্মেন্টস কর্মকর্তা বাসায় ফিরে দেখেন, দরজার তালা ভাঙ্গা। বাসার বিভিন্ন ঘরের জিনিসপত্র ছড়ানো-ছিটানো। চোর ঐ বাসা থেকে দুইটি মোবাইল ফোন, ৯ আনার স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান কাপড় চুরি করেছে। পাশে হারুন উর রশিদের ফ্ল্যাটের দরজার তালা একই কায়দায় ভেঙ্গে চুরি হয়েছে। কাফরুল থানা পুলিশ ও ডিবির একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এরই মধ্যে পাশের ১০৩৮ নম্বর পাঁচ তলা বাড়ির দোতালা ও পঞ্চম তলার দুইটি ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙ্গে চুরি করার ঘটনা ধরা পড়ে। ঐ দুইটি ফ্ল্যাট থেকে কি পরিমাণ চুরি হয়েছে-তা পুলিশ জানাতে পারেনি। কারণ ঐ দুই ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা ঈদ উদযাপন করতে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছেন।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার (পশ্চিম) জায়েদ শাহরিয়ার বলেন, ঐ বাড়ি দুইটিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এরপরও কীভাবে চুরি হয়েছে তা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।