ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানি হত্যা মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত

চার বার পেছানোর পর গতকাল মঙ্গলবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানি হত্যা মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি এইচএল দত্ত মামলাটি গুরুত্বের সাথে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মামলার প্রধান কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট অর্পণা ভাট বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে এক ই-মেইল বার্তায় এ তথ্য জানান। এছাড়াও এদিন এ মামলার পিটিশনার নং ১ ফেলানির বাবার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ চেয়ে আরো একটি আবেদন করা হয়। গত ১৪ জুলাই এ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এর আগে এ মামলার শুনানির তারিখ আসলে বিএসএফ এর পক্ষ থেকে প্রতিবারই সময় চেয়ে আবেদন করায় পরপর ৪ বার শুনানির তারিখ পরিবর্তন হয়েছিল।

 
ফেলানি হত্যা ঘটনায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ে ২০১৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ফেলানির বাবা নূর ইসলাম ১ম ও বাংলাদেশ জাতীয়  মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী ২য় বাদী হয়ে আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয় (ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া) এর সচিব এবং বিএসএফ এর মহাপরিচালককে বিবাদী করে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নয়াদিল্লীতে রিট পিটিশন দাখিল করেন। আদালত পরে সেটি ফৌজদারী মামলা হিসাবে নথিভুক্ত করেন।
 
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর অনন্তপুর সীমান্তে কিশোরী ফেলানি মই বেয়ে কাঁটাতার ডিঙ্গিয়ে বাবার সাথে বাংলাদেশে আসার সময় টহলরত চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষ তাকে গুলি করে হত্যা করে।
 

এ হত্যাকাণ্ডে অন্য একটি মামলা পুনঃবিচারে গত ২ জুলাই সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শালের সমতুল্য বিএসএফের জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট বা জিএসএফসি বিএসএফ সদস্য অমীয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়।