মানব পাচারের অভিযোগে থাইল্যান্ডে অভিযুক্ত ৭২

 
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে মানব পাচারের অভিযোগে থাইল্যান্ডে ৭২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে রাজনীতিক, আর্মি জেনারেলের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। এরই মধ্যে ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে বলে থাই এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় জানিয়েছে। খবর বিবিসির।
 
গত মে মাসে থাই-মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিবাসীদের গণকবর আবিষ্কারের পর থেকে তদন্ত শুরু হয়। থাইল্যান্ডে পৌঁছানোর আগে মানব পাচারের শিকার এসব অভিবাসীদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
 
অভিযুক্তের বেশির ভাগই থাইল্যান্ডের নাগরিক তবে মিয়ানমার ও বাংলাদেশি নাগরিককে এ সব অপরাধে আটক করা হয়েছে। মানবপাচার, আন্তদেশীয় অপরাধর চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও অভিবাসীদের অবৈধভাবে থাইল্যান্ডে আনার জন্য এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ এনেছে। এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মুখপাত্র ওয়ানচাই রোজানাভঙ বলেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিচারের উর্দ্ধে থাকবেন আমরা সেটা হতে দেব না। কারণ গণকবর আবিষ্কারে দেশের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
 
প্রসঙ্গত, গত মে মাসে থাইল্যান্ডে গণ কবরের সন্ধানের পর বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের পাচারের বিষয়টি সামনে আসে। এ ঘটনায় পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য থাই সরকারকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়তে হয়। এরপর সাগরে ভেসে থাকা কয়েক হাজার মানুষকে উদ্ধার করে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ। যাদের মধ্যে এক হাজারের বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। এসব বাংলাদেশির অনেকেই এরই মধ্যে দেশে ফিরে এসেছেন।