জেলার চকরিয়া উপজেলায় ভারী বর্ষণ ও মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রবাহ কমে যাওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে উপজেলার বদরখালী, কোনাখালী, ঢেমুশিয়া, বদরখালী ও বিএমচর ইউনিয়নের বন্যা পরিস্থিতি কোন উন্নতি হয়নি।
এদিকে সোমবার রাতে উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ইসলামনগর এলাকায় পাহাড় ধসে স্থানীয় পাঁচ পরিবারের বসতবাড়ি বিধস্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু ই্উছুপ।
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আহাম্মদ হোসেন ভুইঁয়া সকালে পাহাড় ধসের ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
বন্যায় সড়ক ভেঙ্গে খানাখন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এখনো উপজেলার আভ্যন্তরীণ বেশির ভাগ সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আলম জানান, বন্যাদুর্গত বেশিরভাগ মানুষ খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত একটি পৌরসভাসহ ১৮টি ইউনিয়নের জন্য ৫৫ টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রান সহায়তা পেতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আদিক উল্লাহ বলেন, ‘এক মাসের ব্যবধানে দুদফা প্রবল বন্যার কারণে কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রথম দফার বন্যায় কৃষকদের সবজি ক্ষেত পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার পর আমন চাষের বীজতলা তৈরি করলেও এবারের বন্যায় সিংহভাগ বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে কৃষকেরা চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছে।’