বাগেরহাটে সরকারি ছুটি বাতিল, ২০৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

 
ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ মোকাবেলায় সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাগেরহাটের প্রশাসন। দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার ২০৭টি সাইক্লোন সেল্টার। বাতিল করা হয়েছে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি।
 
বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
 
বেলা সাড়ে ১১টায় সভা শেষে মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সার্বক্ষণিক দুর্যোগ প্রস্তুতি মনিটরিং এর জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫টি কন্ট্রল রুম খোলা হয়েছে। মাইকিং করে জেলা উপকূলীয় উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মংলা এলাকায় জন সাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হচ্ছে।
 
প্রতিটি উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে  মেটিকেল টিম ও সেচ্ছ্বাসেবকদের। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করে তাদের কর্মস্থলে থাকতে বলা হয়েছে।
 
সভায় রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিব কুমার রায় বলেন, এখনো রোদ্রজ্জল আবহাওয়া থাকায় সকলে আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে চাইছে না। তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে সর্তক অবস্থায় প্রস্তুত থকতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলের দিকে আরো অগ্রসর হলে ঝুকিপূর্ণ সকলে সরিয়ে নেওয়া হবে।
সভায় জেলা প্রশাসন ও সকল সককারি-বেসকরকারি দফতরে কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 
রাতে ভারি বর্ষণ হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই প্রতিবেদন ( দুপুর সাড়ে বারোটা) লেখা পর্যন্ত বাগেরহাট জেলায় মেঘাচ্ছন গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে।
 
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জে সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. কামাল উদ্দিন বলেন, সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরা ট্রলার ও নৌকা সুন্দরবনের নদী ও খালে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। এদিকে মংলাসহ উপকূলে আবহাওয়া দফতরের জরি করা ৫ নম্বর বিপদ সংকেত বলবত্ রয়েছে।