মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কুমারভোগের কাছে শনিবার বিকালে পদ্মা নদীতে দু’টি মাটিভর্তি নৌকা ডুবে তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ২৭ জনকে। মুন্সীগঞ্জের এএসপি (সার্কেল) মো. শামসুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজরা হলেন- পাবনা জেলার ভাঙ্গুরা উপজেলার সামাইদা গ্রামের মোজাম্মেলের ছেলে জাহাঙ্গীর (২৮), সুধারপুর গ্রামের মফিজউদ্দিনের ছেলে সোহেল (২৫) ও চাঁদপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের পুত্র জাকির (৩২)।
অন্যদিকে অর্ধনিমজ্জিত অবস্থায় ৩০ শ্রমিকসহ অপর নৌকাটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া নৌকাটি এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
এএসপি (সার্কেল) মো. শামসুজ্জামান জানান, ট্রলার ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারের জন্য উদ্ধারকারী দল ও ডুবুরিদের খবর দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, ফরিদপুরের মদনখালি থেকে মাটি ভর্তি করে পাশাপাশি দু’টি বড় আকারের স্টিলের ইঞ্জিন চালিত নৌকা নারায়ণগঞ্জের বক্তবলীর ইটভাটিতে যাচ্ছিলো। কিন্তু উত্তাল পদ্মায় বৈরী আবহাওয়ার কবলে দু’টি নৌকায় পদ্মায় তলিয়ে যায়। পদ্মা সেতুর কনস্ট্রাকসন ইয়ার্ডের কাছে নৌকা ২ টি ডুবে যাওয়ার পরপরই স্থানীয় লোকজন স্পিডবোর্ড নিয়ে ভেসে থাকা ২৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। তারা এখন নদী তীরে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
উদ্ধারকৃত যাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন- একটি ট্রলারের চালক মো. সেকান্দার আলী (৩৫), মিস্ত্রী আবু বকর (৩৫), শ্রমিক আব্দুল কুদ্দুস (৪২), শহিদুল ইসলাম (৩২), মোজাম্মেল হক (৩০), হেলাল উদ্দিন (৩৭), শাহ আলম (২৮) ও আব্দুল জব্বার (৩৪)। এদের সবাই বাড়ি সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা।
কোস্টগার্ডের পাগলা স্টেশনের সাব-লেফটেনন্ট হাসানুর রহমান জানান, কোস্টগার্ডের একটি বড় স্পিডবোট ইতিমধ্যে পদ্মায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। তবে বৃষ্টি, প্রচণ্ড স্রোত, ঢেউ আর ঝড়ো হাওয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।