তরুণ সঙ্গীত পরিচালকদের সঙ্গে সিনিয়র শিল্পীদের এক ধরনের দূরত্ব দেখা যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে চলচ্চিত্রের গানে এই সঙ্কটটা বেশি দেখা যায়। তবে টানা দুই প্রজন্মের সঙ্গীত পরিচালকের কাছেই সমান গ্রহণযোগ্য হয়ে আছেন আঁখি আলমগীর। গত দুই মাসে রেকর্ডসংখক ফিল্মের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।
মেলোডি গান কিংবা আইটেম সং সব বিষয়ে সমান চাহিদার এই শিল্পী নিজের এই প্লেব্যাক ব্যস্ততা প্রসঙ্গে বলেন, ‘একেবারে অল্প বয়স থেকেই তো এই ফিল্মের সাথেই রয়েছি। শিশুতোষ অভিনয় নয়, বাবা’র সূত্রে ফিল্মের গানের রেকর্ডিং-এ অনেক থেকেছি। সেই সূত্রে আমি বলবো চলচ্চিত্রে গান গাইবার জন্য যেমন সকলেরই একটা প্রত্যাশা থাকে তেমনি আমারও। তবে দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগের এই অভিজ্ঞতায় আমি সব ধরনের, সকল বয়সী কম্পোজারদের সাথেই মানানসই হতে পেরেছি, কারণ স্টেজের অভিজ্ঞতা। সরাসরি শ্রোতারা কি ধরনের গান শুনতে পছন্দ করছে, এর ওপরে অনেককিছু নির্ভর করে। আমি প্লেব্যাকের ক্ষেত্রে সেটিই কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। খুব অল্প সময়ে বেশকিছু প্লেব্যাকের কাজ শেষ করলাম। আশা করছি গানগুলোতে শ্রোতারা নতুন এক আঁখি আলমগীরকে পাবেন।’