দুই অঙ্কের জিডিপি প্রবৃদ্ধি পেতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কিন্তু ১৬/১৭ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানো যাবে না। সুদের হার কমানোর পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যের খরচ হ্রাসে পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। এ ছাড়া, অবকাঠামো সুবিধা নিশ্চিত করতে নানা নীতি শুধু কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
শনিবার রাজধানীর চেম্বার ভবনে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জন্য নতুন বিনিয়োগ ব্যবস্থা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ সব কথা বলেন।
এমসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এ সামাদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিন, সাবেক সচিব সোহেল চৌধুরী, জাতীয় সংসদ সদস্য এ কে এম মাইদুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতির অধ্যাপক ড. বজলুল হক খন্দকার, এমসিসিআইয়ের নির্বাহি কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, ডিসিসিআইয়ের সাবেক সহ-সভাপতি শেকিল চৌধুরী, ব্রিটিশ-বাংলাদেশ টোবাকোর চেয়ারম্যান গোলাম মাঈনুদ্দীন, উত্তরা মোটরসের চেয়ারম্যান মতিউর রহমানসহ আরও অনেকে।
সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে বড় সমস্যা হলো নানা ধরনের নীতি গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন হয় না। এ প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। মুনাফার প্রবণতা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। তাই ব্যবসায়ের খরচ কমাতে হবে। ব্যবসায়িক কাজে মন্ত্রণালয় এবং আমলাদের সহযোগিতা একেবারেই পাওয়া যায় না। এমনিতেই গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা রয়েছে, সুদের হার বেশি তার উপর আমলাদের কাজে সহযোগিতা না পাওয়ায় অনেকেই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয় না। তাই বিনিয়োগ সম্পর্কিত মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে।