১১ বছর আগে এক শিশুকে হত্যার দায়ে পাকিস্তানে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে করাচি কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় শাফকাত হুসাইন নামের ঐ তরুণের বয়স ১৪ বছর ছিল, এমন দাবি জানিয়ে মৃত্যুদণ্ড না দিতে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা আহ্বান জানিয়েছিল।
আইনজীবীরা বলেছেন, শাফকাতের বিচার শুরুর সময় তার বয়স ছিল ১৪ বছর। নির্যাতন চালিয়ে তার স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছিল।
শাফকাতের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে সোমবার মধ্যরাতে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের দেখা করতে দেয়া হয়।
IMG0
চলতি বছরই চারবার শাফকাতের দণ্ড কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা পিছিয়ে যায়।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও রিপ্রাইভসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা শাফকাতের ফাঁসি কার্যকর না করার আহ্বান জানালে তা ব্যর্থ হয়। আসেনি। তার প্রাণভিক্ষার আবেদনও নাকচ হয়ে যায়।
ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করাচির একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজ করত শাফকাত। ঐ ভবনের সাত বছরের এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগে ২০০৪ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তানে দীর্ঘদিন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বন্ধ ছিল। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পেশোয়ারে একটি স্কুলে তালেবান হামলায় দেড়শ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর আবারো সেখানে ফাঁসির রায় কার্যকর করা শুরু হয়। ঐ সময় থেকে এখন পর্যন্ত ১৯৩ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছে পাকিস্তান।