মুন্সিগঞ্জের কাঠপট্টি ও নারায়ণগঞ্জের চরসৈয়দপুর গুদারাঘাট দিয়ে প্রতিদিন দুই জেলার হাজার হাজার নৌযাত্রী খেয়া পারাপার হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, ঘাট ইজারাদারদের কাছে সাধারণ যাত্রীরা জিম্মি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়—চার টাকার ভাড়া দশ টাকা দিনের বেলায়। সন্ধ্যার পর থেকেই ভাড়া জনপ্রতি ২০-৩০ টাকারও বেশি। যাত্রীবোঝাই না হলে নৌকা ছাড়া হয় না। ঘাট-মালিকদের দাপট থেকে যাত্রীদের রক্ষার যেন কেউ নেই। ঘাটে ভাড়ার তালিকা টানানো নেই। নেই কোনো টিকেট ব্যবস্থা বা সময়সূচি। কতজন যাত্রী হলে নৌকা ছাড়বে সেই তথ্য কেউ জানে না। সন্ধ্যায় ঘাটে অপেক্ষারত যাত্রীদের অনেকেই মশার তীব্র কামড়ে মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। নৌকায় লাল বাতির সংকেত ও জীবন রক্ষাকারী বয়ার ব্যবস্থা না থাকায় যাত্রী পারাপার চলছে ঝুঁকিপূর্ণভাবে। ঘাটপারে নেই পাকা যাত্রীছাউনি ও পাবলিক টয়লেট। গুদারা সংলগ্ন নদীতীরে গড়ে উঠেছে অবৈধ দোকানপাট। কাঠপট্টি খেয়াঘাটে নজরে পড়ে চরম বিশৃঙ্খলা। এই জুলুম সহ্য করা কঠিন। ঘাট ইজারাদারদের একটি শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী নির্যাতন করে আসছে। এই নৈরাজ্য আর কতদিন চলবে? সাধারণ যাত্রীরা এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি চায়। এ অবস্থায়, আমরা কার কাছে প্রতিকার চাইব?
মিলি, মুন্সিগঞ্জ