রবীন্দ্রনাথের মহাপ্রয়ান দিবসে জয়পুরহাটে সংগীতানুষ্ঠান

আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে.., তুমি বাহির হতে দিলে ভীষণ তাড়া.., গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙ্গামাটির পথ..., সংগীতানুষ্ঠানে এসব কালজয়ী গান পরিবেশন করে বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় দর্শক মাতালেন জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের শিল্পীরা।

জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্থানীয় সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদ জয়পুরহাট শাখার শিল্পীরা রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন। বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরা লিপির নেতৃত্বে সমবেত কন্ঠে আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে.., গানের ভিতর দিয়ে যখন দেখি ভূবনখানি. গানগুলোর পরিবেশন দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানের মধ্যে রবীন্দ্রনাথের শিশুতোষ কবিতা ও ”কর্ণকুন্তী সংবাদ” “মাগো করিও না ভয়, পান্ডবের হবে বিজয়” আবৃত্তি করেন জেলা প্রশাসক মো: আব্দুর রহিম। রবীন্দ্র কথন “পায়ে চলার পথ” আবৃত্তি করেন মোস্তাহেদ ফাররোখ, “কৃপণ” আবৃত্তি করেন ইমতিয়াজ জাহান রুমি, নেওয়াজ আবৃত্তি করেন ”হঠাৎ দেখা”। এ ছাড়াও মুক্তার কন্ঠে ’আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্বভরা প্রাণ’ও চৈতির কন্ঠে ’আমি কান পেতে রই..গান পরিবেশন দর্শকরা উপভোগ করেন।
এর আগে জেলা প্রশাসক মো: আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম সোলাইমান আলী, পৌর মেয়র আব্দুল আজিজ মোল্লা, সাবেক অধ্যক্ষ খাজা সামছুল ইসলাম, জয়পুরহাট সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক আমিনুল হক বাবুল, জয়পুরহাট গাল্স ক্যাডেট কলেজের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ নুরুল ইসলাম, গোলাম হক্কানী, অপুর্ব সরকার, নন্দলাল পার্শী প্রমূখ।