রাতের শব্দদূষণ

রাত তিনটের সময় বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে জীবন হয়ে ওঠে অতিষ্ঠ। সারা দিনের পরিশ্রমে ক্লান্ত একজন মানুষ রাত দশটায় বাড়ি ফিরে আনুষঙ্গিক কাজ সেরে ঘুমিয়ে যাবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে ঠিক এর পর শব্দে ঘুম ভেঙে গেলে আর যদি সেই শব্দ হয় লাউড স্পিকারে তাহলে বাকি রাত আর ঘুম হয় না। অফিস ফেরত মানুষগুলো অসহায় হয়ে পড়ে গভীর রাতের এই উচ্চশব্দের কাছে। যারা এহেন কর্মটি করে থাকে তাদের বিবেক আছে কি না সন্দেহ। এইভাবে ঘুম নষ্ট হলে কমে যায় কর্মক্ষমতা। গর্ভবতী নারী, বয়স্ক মানুষ সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই ধরনের শব্দদূষণে। তাই রাত এগারোটার পর লাউড স্পিকারে গান বাজিয়ে শব্দদূষণ না করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিধি-নিষেধ আরোপ করা উচিত। সেইসঙ্গে শব্দদূষণের বিষয়টি কঠোর মনিটরিংয়ে রাখতে পারলে রাতের যন্ত্রণা থেকে বেঁচে যাবে শান্তিপ্রিয় মানুষগুলো।

সাব্বির হোসেন, শ্রীপুর, গাজীপুর