ব্যালেন্সড ডায়েট কী?

ডা. সঞ্চিতা বর্মন

চিকিত্সকদের মতে, মেটাবলিক ডিজঅর্ডারের (উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ইউরিক এসিড ইত্যাদি) অন্যতম কারণ ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস। এর সঙ্গে জিনগত ফ্যাক্টর, স্ট্রেস, দূষণ বিষয়গুলো যুক্ত হওয়ায় এই সমস্যা এখন কম বয়সী থেকে বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। তাই ছোট থেকেই সকলের জন্য ব্যালেন্স ডায়েট প্রয়োজন। ব্যালেন্সড ডায়েট হলো কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল সমৃদ্ধ ডায়েট প্ল্যান।

প্রতিটি মানুষের ক্যালোরির চাহিদা আলাদা। লিঙ্গ, উচ্চতা, ওজন ও কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী ডায়েট প্ল্যান হতে হবে। ব্যালেন্সড ডায়েটের জন্য ফুড পিরামিড মেনে চলা উচিত।

ফুড পিরামিড অনুযায়ী ডায়েটের ৫০ শতাংশ হতে হবে টাটকা ফল। বাকি ৫০ শতাংশে সবুজ শাক-সবজি, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাবার রাখতে হবে। ফাইবার, বাদাম, প্রসেসড ফুড পাশাপাশি মাঝে মাঝে খাওয়া যাবে। ট্রান্স ফ্যাট বা বাইরে থেকে কেনা ডিপ ফ্রাইড খাবারের পরিবর্তে খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে ঘি, সরষের তেল, তিলের তেল, আখরোট, কাজু, আমন্ডের মত বাদাম। কার্বোহাইড্রেট হিসেবে ওটস, লাল চালের ভাত অন্যতম। পাশাপাশি শরীরকে ঠিক রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনও দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। তবে ব্যালেন্স ডায়েটের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম বা জগিংও করতে হবে।

লেখক: ত্বক, লেজার এন্ড এসথেটিক বিশেষজ্ঞ