ঈশ্বরদীতে 'বন্দুকযুদ্ধে' গুলিবিদ্ধ ১


পাবনার ঈশ্বরদীতে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মাহামুদুল হাসান ওরফে সোনামণি (৩১) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পাকশী হঠাৎপাড়ার এলাকায় চরাঞ্চলে এই 'বন্দুকযুদ্ধে'র ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ সোনামণি উপজেলার পিয়ারাখালি এলাকার মরহুম আব্দুস সামাদ গার্ডের ছেলে এবং ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই।

তিনি স্থানীয় যুবদলের কর্মী বলে জানা গেছে।

তবে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এস এম ফজলুর রহমান ও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েশ সুমন জানান, সোনামণির দলের বা অঙ্গ সংগঠনের পোর্ট ফোলিও কোন পদ নেই।

ঈশ্বরদী থানার ওসি বিমান কুমার দাস জানান, সোনামণির নামে চাঞ্চল্যকর আলম হত্যাসহ গুম, চাঁদাবাজী ও নাশকতার ১৮টি মামলা রছেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলার আমিনপুর থানা এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে থানায় এনে জিঞ্জাসাবাদ করলে তার কাছে আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে জানায়। পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে নিয়ে রাত আড়াইটার দিকে পাকশী হঠাৎপাড়ার নদীর চর এলাকায় অভিযান যায়। এ সময় তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ৬ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোঁড়ে। এ সময় সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলি সোনামণির ডান পায়ে বিদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পদ্মার চর দিয়ে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সোনামণিকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা সদর হাসপাতালে ও পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে সকালে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

'বন্দুকযুদ্ধে' পুলিশের এএসআই জুয়েল ও কনেষ্টবল মকবুল ও আক্কাস আহত হন বলে জানিয়েছেন ওসি ।

ওসি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রসীদের ফেলে যাওয়া একটি বিদেশি বন্দুক ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের উপর আক্রমন ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।