আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন বিতর্কিত কাজ না করতে যুবলীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এমন কোনো কর্মকাণ্ড করবেন না, নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কোন কিছু করতে পারবে না।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে মন্তব্য করে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনাকারী ও সুবিধাভোগী কে মানুষ তা জানে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়া (জিয়াউর রহমান) ক্ষমতা দখল করেছিলেন। এরপর তিনি রাজাকারদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। যতোটা জেনেছি, সেনাবাহিনীর বিপথগামী সৈনিকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার আগে জিয়ার সঙ্গে কথা বলেছিলেন। গতকাল বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে জয় বাংলা সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাখতে মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানকে তার দলের লোকেরা মুক্তিযোদ্ধা বললেও মুক্তিযুদ্ধকারে তার বীরত্বের কোন কাহিনী খুঁজে পাওয়া যায় না। আসলে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে জিয়া মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের হত্যার ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। এখনও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সংগঠনের ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সুজিত রায় নন্দী, ড. এনামুল হক, জোটের সভাপতি সালাউদ্দিন বাদল প্রমুখ।