আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী বৃহস্পতিবার তার নিজ বাড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। সকালে তার সমাধীস্থলে বিভিন্ন সংগঠন পুস্পমাল্য অর্পণ করে। পরে তারেক মাসুদের জীবনীর ওপর স্মরণসভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, দোয়া মাহফিলসহ দিনভর চলে অন্যান্য কর্মসূচি।
তারেক মাসুদের পিতৃভিটা পৌরসদরের নুরপুর গ্রামে তার সমাধীস্থলে প্রথমে তার মাতা নুরুন্নাহার মাসুদ, পুত্রবধূ ক্যাথরিন মাসুদ ও একমাত্র নাতী নিশাদ মাসুদসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন।
এরপর উপজেলা পরিষদের পক্ষ হতে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন ও উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, ভাঙ্গা মহিলা ডিগ্রি কলেজের পক্ষ হতে অধ্যক্ষ এ এইচ এম রেজাউল করিম, এসো নিজেরা করি সংগঠনের পক্ষে খুশি কবির ও তারেক মাসুদের সঙ্গে নিহত ঢালী আল মামুনের স্ত্রী দিলায়ারা বেগমসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষ পুস্পমাল্য অর্পণ করে। তার সমাধীস্থলের পাশেই আয়োজন করা হয় স্মরণ সভা।
সভায় দেশে বিদ্যমান সড়ক দুর্ঘটনার বৃদ্ধিতে বক্তরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় তার খ্যাতিময় জীবনের ওপর ব্যাপক আলোচনা করেন বক্তারা।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের এই দিনে কাগজের ফুল চলচ্চিত্রের শ্যুটিং স্পট দেখে মানিকগঞ্জ থেকে ফেরার পথে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জোকা নামক স্থানে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাসের সংর্ঘষ হয়। ওই সময় তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরসহ পাঁচজন মারা যান।