মাদারীপুরে ২ কিশোরীর মৃত্যু: নমুনা পরীক্ষাগারে

 
মাদারীপুরে নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত দুই কিশোরীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এদের মধ্যে সুমাইয়ার দেহে একাধিক নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে, হ্যাপির দেহে কোনো জখম নেই। ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য শুক্রবার আলামত পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
 
হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন,  ধর্ষণের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রবি বা সোমবারের মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।
 
অভিযোগ পাওয়া গেছে, বৃহস্পতিবার মেস্তফাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া (১৪) ও হ্যাপি (১৪) বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের নিকট প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে শিপনসহ ৪/৫ যুবক একটি ঈদগাহে নিয়ে যায়। ধর্ষণের পর তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে। এ সময়  শিপন ও তার অপর এক সঙ্গী তাদের সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। শিপন কর্তব্যরত চিকিত্সকদের জানান, দুই কিশোরী বিষপান করেছে। খবর পেয়ে স্বজনরা হাসপাতালে এসে শিপনকে দেখতে পেয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
 
সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদারে অভিযোগ, শিপন দীর্ঘদিন ধরে সুমাইয়াকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল।