জেলার তাড়াশ উপজেলার মসজিদের গচ্ছিত টাকা টাকা জমা দেয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে বন্দুকের গুলিতে সাতজন আহত হয়েছেন। তাদের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বগুড়া মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়েছে।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের লাউশন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। উত্তেজনা প্রশমিত করতে এ গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ লাইন্সেসকৃত বন্দুকটি জব্দ করে হেফাজতে নিয়েছে।
গ্রামবাসী ও পুলিশ জানায়, গ্রামের একটি মসজিদে জুম্মার নামাজ শেষে পুরাতন কমিটি ও নতুন কমিটির সভাপতির মধ্যে মসজিদের গুচ্ছিত টাকা নিয়ে দরবার বসে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাক্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে মসজিদের ভেতরেই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর মসজিদের বাইরে পরিস্থিতি উত্যপ্ত হয়ে উঠে। এ সময় মসজিদ কমিটির সাবেক সভাপতি আলহাজ আজিজুল হকের পুত্র আনোয়ার হোসেন বাড়ি থেকে দো-নালা বন্দুক বের করে গুলি বর্ষণ করে। এতে নারীসহ সাতজন গুলিবিদ্ধ হয়। তাদেরকে দ্রুত তাড়াশ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এদের মধ্যে জুয়েল রানা (১৮), মকলেছুর (৫০), বকস (৫৫) শিশু রাব্বী (১০) শিশু নাজমুলকে (৮) গুরুতর অবস্থায় জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ জিল্লুর রহমান (২৮) ও কমেলা (৫৫) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান খান, রায়গঞ্জ সার্কেল এ এসপি মো. মোতাহার হোসেন ও তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আমিনুল ইসলাম আহতদেরকে দেখতে তাড়াশ হাসপাতালে যান এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।