শিমুলিয়ায় ফেরি চলছে জোয়ার-ভাটা দেখে

 
নয় ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে রাত দেড়টা থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে  জোয়ার লাগলে ফেরি চলাচল আবার শুরু হয়। ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় উভয় পাড়ে পাঁচ শতাধিক যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
 
স্বাভাবিক ফেরি চলার জন্য চ্যানেলে পানির গভীরতা প্রয়োজন সাড়ে সাত ফুট। কিন্তু পানির গভীরতা এখন সর্বনিম্ন  সোয়া ছয় ফুট।  রাত দেড়টায় সর্বশেষ শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি কেতকী গন্তব্যে পৌঁছতে পেরেছে। এর আগে ফরিদপুরও গন্তব্যে পৌঁছায়। তবে লৌহজং টানিং থেকে রাতে ফিরে আসে ফেরি ক্যামেলিয়া  ও রায়পুরা। এরপরই চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
 
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়াঘাটের সহকারী ম্যানেজার গিয়াসউদ্দিন পাটুয়ারি জানান, নাব্যতা সংকটের কারণে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ৪টি রো রো ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। মাঝারি ও ছোট বাকি ১৪টি ফেরি চলাচল করছে।
 
বিআইডব্লিউটিএ’র উপ পরিচালক এসএম আজগর আলী জানিয়েছেন, নাব্যতা সঙ্কট দূর করতে গত ঈদের দুই দিন পর হতে পদ্মা নদীর লৌহজং টানিং পয়েন্টে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং করে চলেছে। বর্তমানে সেখানে তিনটি ড্রেজার মাটি কেটে চ্যানেলে পানির গভীরতা বৃদ্ধি করতে কাজ করছে। কিন্তু পদ্মায় স্রোতের সাথে পলি এসে খননকৃত চ্যানেলগুলো আবারো ভরে যাচ্ছে। এতে ড্রেজিং কাজ করে আগাতে পারছে না।
 
শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে মোট ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও বর্তমানে চলাচল করছে ১৪টি ফেরি। এর মধ্যে পাঁচটি কে টাইপ ফেরি কোন মতে চলাচল করছে। মূলত ছোট আকৃতির ফেরিগুলো এখন ঝুঁকিমুক্তভাবে চলাচল করছে। কিন্তু পানির গভীরতা কমে গেলে এসব ফেরি চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে।