`তথ্য আইন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে'

প্রধান তথ্য কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক বলেছেন, জনগণকে শাসন করার জন্য বাংলাদেশে ১১শ আইন আছে। আর তথ্য অধিকার একমাত্র আইন, যেটা জনগণ সরকারের ওপর প্রয়োগ করতে পারে। এটা আওয়ামী লীগ সরকারের স্বঘোষিত ইচ্ছার প্রতিফলন। যা সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে নিশ্চিত করতে পারে। এটা দুর্নীত দূর করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারার বিকাশে সহায়ক হবে। শনিবার দুপুরে যশোরের সিংহঝুলি শহীদ মসিয়ূর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রঙ্গণে বাংলাদেশে প্রথম তথ্য অধিকার ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
তিনি বলেন, এদেশে তথ্য অধিকার আইন করা হয়েছে। জনগণ এর সুফল বুঝতে পারলে চর্চায় উৎসাহী হবে। এই আইন বাস্তবায়ন ও চর্চায় তথ্য কমিশনের জন্য এটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। এজন্য কমিশন কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
 
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তথ্য কমিশনার নেপাল চন্দ্র সরকার বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলার সরকারি বরাদ্দ সঠিকভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা এই আইন ব্যবহার করে জনগণ তা জানতে পারবে। দরিদ্র জনগোষ্ঠির সুবিধাও এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি বলেন, তথ্য প্রদানের জন্য দেশে ২২ হাজার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত রয়েছেন। এ সংখ্যা দেড় লাখ হওয়া উচিত। এজন্য তিনি চৌগাছার ইউএনও-কে কিছু নির্দেশনা দেন।
 
যশোরের জেলা প্রশাসক হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সম্মন্বয় ও সংস্কার) মো. নজরুল ইসলাম, যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদ মো. আবু সরোয়ার, চৌগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ইউএনও সুষমা সুলতানা, সিংহঝুলি ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান রেন্দু, এমআরডিআই নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান মুকুর, গ্রামের কাগজ সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন প্রমুখ।