জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাচ্ছেন না। বেইজিং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে টোকিও’র পরাজয়ের ৭০বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি বড় ধরনের সামরিক কুচকাওয়াজের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সরকারের শীর্ষ মুখপাত্র ইয়োশিদা সুগা বলেন, পার্লামেন্টে চলমান পরিস্থিতির কারণে অ্যাবে সফর না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জাপানের সামরিক বাহিনীর ভূূমিকা সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ পার্লামেন্টে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
তবে স্থানীয় গণমাধ্যম বলেছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে টোকিও’র আত্মসমর্পণের ঘটনা স্মরণ করতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বিশেষ করে বেইজিংয়ের কেন্দ্রস্থলে একটি বড় ধরনের পরিকল্পিত কুচকাওয়াজে জাপান বিরোধিতার ধরন নিয়ে টোকিও সরকার উদ্বিগ্ন। অ্যাবে এর আগে সেপ্টেম্বরের শুরুতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।
সুগা সংবাদিকদের বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দের বৈঠকের সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো উন্নয়নে কাজ করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।’ তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষে ৩ সেপ্টেম্বরের অনুষ্ঠান থেকে নিজেকে দূরে রাখছেন অ্যাবে।
১৯৩০’র দশকে চীনের বিভিন্ন অঞ্চল জাপান দখল করে নেয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ অব্দি তা দখলে রাখে। বেইজিংয়ের তথ্যানুযায়ী, এশিয়ায় জাপানি সৈন্যদের আগ্রাসনে কয়েক লাখ লোক নিহত হয়। নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে বিজয়ের মুহূর্ত স্মরণ করতে মস্কোতে একই ধরনের একটি সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন শি জিনপিং। সে কারণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিংয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন।