চার দিনের রিমান্ডে শওকত মাহমুদ

 
সাংবাদিক নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদকে চার মামলার প্রতিটিতে একদিন করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাহরিয়ার মাহমুদ আদনান এ আদেশ দেন। এর আগে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি পোড়ানো, পেট্রল বোমা নিক্ষেপ ও নাশকতার অভিযোগে পল্টন থানার পাঁচ মামলা ও মতিঝিল থানার তিন মামলায় শওকত মাহমুদকে গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার আট মামলায় ৮০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
 
সোমবার আদালত এই আটটি মামলার মধ্যে চারটির শুনানি করেন। শুনানি শেষে চার মামলার প্রতিটিতে একদিন করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর বাকি চারটি মামলার রিমান্ড শুনানি পরবর্তীতে করা হবে বলে জানানো হয়। সোমবার পল্টন থানার তিনটি মামলা ও মতিঝিল থানার একটি মামলার রিমান্ড শুনানি হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শাহ আলম তালুকদার ওই চার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শওকত মাহমুদের চল্লিশ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। কিন্তু শওকত মাহমুদের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদারসহ অন্যান্য আইনজীবীরা রিমান্ডের বিরোধিতা করেন। শওকত মাহমুদ শারীরিক অসুস্থ থাকায় তাঁকে রিমান্ডে যেন না নেওয়া হয় আদালতের কাছে সে আদেশ প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ওই চার মামলায় একদিন করে চার দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।
 
রবিবার ঢাকার সিএমএম আদালতে পল্টন ও মতিঝিল থানায় দায়ের করা আট মামলায় সাংবাদিক শওকত মাহমুদের ১০ দিন করে মোট ৮০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিল পুলিশ। আট মামলার মধ্যে রয়েছে পাঁচটি পল্টন থানার ও তিনটি মতিঝিল থানার মামলা। এ আট মামলাসহ এ পর্যন্ত ১২ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে শওকত মাহমুদকে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি শওকত মাহমুদকে গত ১৮ আগস্ট আটক করা হয়। রাজধানীর পান্থপথে সামারাই কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে তাকে আটক করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল। সূত্র: ফোকাস বাংলা