পিলপিল-জুলিয়েটের ৭৩টি বাচ্চা ফুটেছে

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রের ‘পিলপিল’ ও ‘জুলিয়েট’নামে লোনা পানির কুমিরের ডিম থেকে ৭৩টি বাচ্চার জন্ম হয়েছে। এরমধ্যে পিলপিলের ৩৭টি ও জুলিয়েটের ৩৬টি বাচ্চার জন্ম হয়।
 
সোমবার বিকেলে পিলপিলের ৩৭টি কুমির ছানা সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। ৩৬ ঘন্টা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখার পর মঙ্গলবার সকালে প্রজনন কেন্দ্রের ‘প্যানে’ এসব কুমির ছানা লালন-পালনের জন্য ছেড়ে দেয়া হবে।
 
সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রে কুমির ‘পিলপিল’ ও ‘জুলিয়েট’ এর ১১২টি ডিম থেকে ৭৩টি কুমিরের বাচ্চা জন্ম নিল। 
 
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ফরেস্টার ও করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রপ্ত সহকারী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
করমজল বন্যপ্রাণি প্রজনন কেন্দ্রের এই কর্মকর্তা জানান, গত ১ জুন প্রজনন কেন্দ্রের পুকুর পাড়ে কুমির ‘পিলপিল’ ৬১টি ডিম পাড়ে। পুকুর পাড় থেকে ডিমগুলো সংগ্রহ করে টানা ৮৫ দিন কেন্দ্রের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখার পর ওই ডিম থেকে সোমবার সকালে ৩৭টি বাচ্চা ফুটে বের হয়। ভ্রুণের মৃত্যু ও অনিষিক্ত হওয়ার কারণে এবার ২৪টি ডিম নষ্ট হয়ে যায়।
 
এর আগে গত ১৯ মে এই প্রজনন কেন্দ্রের অপর কুমির ‘জুলিয়েট’ ৫১টি ডিম পাড়ে। ওই ডিমের মধ্য থেকে একই নিয়মে গত ৫ আগস্ট ৩৬টি বাচ্চা ফুটে বের হয়। ভ্রুণের মৃত্যু ও অনিষিক্ত হওয়ার কারণে জুলিয়েটের ১৫টি ডিম নষ্ট হয়ে যায়। জুলিয়েটের ৩৬টি কুমির ছানাও সম্পূর্ণ সুস্থ্য রয়েছে।