‘প্রকল্প পরিচালকদের অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে’ বলে জানালেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে ইন্টারভিউ নেয়া হবে। সেইসাথে বর্তমান প্রকল্প পরিচালকেদেরও যোগ্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ ইন্টারভিইউ গ্রহণ করবেন।’
মঙ্গলবার প্রকল্প বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের পরিকল্পনামন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যেসব প্রকল্প পরিচালক প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করছেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রকল্প পরিচালককে অবশ্যই প্রকল্প এলাকায় থাকতে হবে। থাকার ব্যবস্থা না থাকলে আমরা তা করে দেব।’
তিনি আরো বলেন, ‘এখন থেকে আইএমইডিই শুধু প্রকল্প পরিবীক্ষণ করবে না, সেইসাথে স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ও তাদের প্রকল্প নিজেরা পরিবীক্ষণ করবে। প্রকল্প পরিচালকের বাইরে আরো একজনকে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প তদারকির জন্য দায়িত্ব দেয়া হবে।
এ সময় তিনি জানান—চলতি (২০১৫-১৬) অর্থবছরে জুলাই মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্দের ১ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘অর্থবছর মাত্র শুরু হয়েছে, আগামি কয়েক মাস গেলে বাস্তবানের হার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘ক্রয়প্রক্রিয়া সহজ করতে পিপিআর ২০০৮ কে সংশোধন করা হচ্ছে। একইসাথে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির ফরম্যাট আরো সহজ করার কাজ চলমান আছে। বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্প এর বইয়ে সবুজ পাতা, হলুদ পাতা এসব কিছু থাকবে না। সবই হবে সাদা পাতা। প্রকল্পের অপচয় রোধে অচিরেই ১৪০ থেকে ২০০ টি চলমান অকার্যকর প্রকল্প বাদ দেয়া হবে। এ জন্য অচিরেই একনেক সভায় তালিকা উত্থাপন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমি পহেলা অক্টোবর সব মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে চিঠি দেব। ইতিমধ্যে আএমইডি এ সংক্রান্ত একটি তালিকা তৈরির প্রাথমিক কাজ শেষ করেছে। এখন আমরা মন্ত্রণালয়গুলোর সাথে আলোচনা করে সব ঠিক করব।’
সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।