লক্ষ্মীপুরে যুবদল নেতাকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৫

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের ছিলাদী এলাকায় ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ও ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সবুজ হোসেনকে গলা কেটে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় শিবির কর্মী বেলাল হোসেনসহ পাঁচজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
 
নিহত সবুজ হোসেন একই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
 
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, কুশাখালী ইউনিয়নের ছিলাদী এলাকার নিজ পোল্ট্রিফার্ম থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে রাতে রাস্তার ওপরে সবুজের গতিরোধ করে সন্ত্রাসীরা। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শিবির কর্মী বেলাল হোসেন এবং তার বাবা জাহের আহমদ, ভাই রিয়াজ হোসেন, আরিফ হোসেন ও মহিউদ্দিনসহ পাঁচজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা।
 
পরে পুলিশ নিহত সবুজ হোসেনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
 
ঘটনার দিন সকালে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সবুজ হোসেন ও পতিপক্ষ বেলাল হোসেনদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
 
অপরদিকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান ও জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন নিহত সবুজকে নিজেদের স্থানীয় যুবদল নেতা দাবি করে জানান, সবুজ হোসেন কুশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য এবং ছিলাদীর ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রাজনীতি করার কারণে সন্ত্রাসীরা তাকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যা করেছে।
 
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
 
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুবজ হোসেনকে জবাই করে হত্যা করেছে শিবিরের সন্ত্রাসীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শিবিরের বেলাল হোসেনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হবে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।