রাজশাহীর বাঘায় গোপন বৈঠক থেকে জামায়াত-শিবিরের ৬২ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। রবিবার রাতে এশার নামাজের পর বাঘা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের চকছাতারী জামে মসজিদ থেকে তাদের আটক করা হয়।
বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, মাগরিবের নামাজের পর অন্য মুসল্লিরা মসজিদ ত্যাগ করলে উপজেলা জামায়াতের আমির ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মসজিদের দরজা-জানালা বন্ধ করে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। তাদের বৈঠক চলে এশার নামাজের আগ পর্যন্ত।
এশার নামাজের সময় অন্যান্য মুসল্লিরা আসলে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা বৈঠক বন্ধ করে তাদের সঙ্গে একত্রে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে অন্যান্য মুসল্লিরা মসজিদ ত্যাগ করলে ওই জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা আবারো একই কায়দায় বৈঠক শুরু করেন। এসময় মুসল্লিরা বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাটি বাঘা থানায় জানান।
খবর পেয়ে বাঘা থানার একদল পুলিশ মসজিদটি ঘিরে ফেলে। এসময় পুলিশ বাঘা পৌর জামায়াতের আমির সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ইমাজ উদ্দিন, ২নং ওয়ার্ডের সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর হোসেন, জামায়াত নেতা অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেনসহ ৬২ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ওসি আরও জানান, তারা ৬২ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীকে আটক করলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা জিন্নাত আলী কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাকে আটকের জন্য অতিরিক্ত পুলিশের সহায়তায় অভিযান এবং আটক ৬২ নেতাকর্মীকে থানা হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।