তৃতীয় রাউন্ডে সেরেনা-জকোভিচ-নাদাল


কোন অঘটন না ঘটিয়ে ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করলেন প্রমীলা টেনিসের টপ সিডার সেরেনা উইলিয়ামস। তার সঙ্গে আরও যোগ দিয়েছেন পুরুষ বিভাগের শীর্ষ তারকা নোভাক জকোভিচ ও স্প্যানিশ সেনসেশন রাফায়েল নাদাল।


বুধবার দ্বিতীয় রাউন্ডে শুরুটা কঠিন করে তুললেও শেষ পর্যন্ত সরাসরি সেটে জয়ী হয়ে তৃতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করেন সেরেনা উইলিয়ামস। এক বছরে চারটি গ্রান্ড স্ল্যাম শিরোপা জয়ের বিরল কৃতিত্ব অর্জনের লক্ষ্যে সেরেনা বিশ্বের ১১০তম র‌্যাঙ্কধারী ডাচ খেলোয়াড় কিকি বারটেনসকে ৭-৬ (৭/৫) ৬-৩ গেমে পরাজিত করেন। আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে অবশ্য স্বাগতিক সমর্থকদের খুব একটা স্বস্তিতে রাখেননি এই মার্কিনী। পুরো ম্যাচে ৩৪টি আনফোর্সড এররের সঙ্গে করেছেন ১০টি ডাবল ফল্ট। ম্যাচ শেষে সেরেনাও বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, প্রতিটি পয়েন্টের জন্যই আমাকে লড়াই করতে হয়েছে। আজ আমি কিছুটা ক্লান্তি অনুভব করছিলাম। আশা করছি এটা শিগগিরই কাটিয়ে উঠতে পারবো।


এদিকে স্প্যানিশ অষ্টম বাছাই ১৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক নাদাল আর্জেন্টিনার দিয়েগো শোয়ার্জম্যানকে ৭-৬ (৭/৫), ৬-৩, ৭-৫ গেমে ও শীর্ষ বাছাই জকোভিচ অস্ট্রেলিয়ান আন্দ্রেস হায়দার-মরারকে ৬-৪, ৬-১, ৬-২ সেটে পরাজিত করে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন। এই নিয়ে শেষ ১৭টি ম্যাচের ১৪টিতেই জয়ী হলেন বর্তমান অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও উইম্বলডন বিজয়ী জকোভিচ। প্রথম সেটে নাদাল ৫-৪ গেমে পিছিয়ে থাকার পরে টাই ব্রেকে শেষ পর্যন্ত সেটটি জিতে নেন। ম্যাচ শেষে নাদাল বলেছেন, তৃতীয় রাউন্ডে উঠতে পেরে আমি খুশী। আজকের ম্যাচটা কঠিন ছিল। আমার সৌভাগ্য যে শেষ পর্যন্ত জিততে পেরেছি। প্রথম সেট জেতাটা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।


২০১০ ও ২০১৩ সালের ইউএস ওপেন বিজয়ী নাদাল ২০১২ ও ২০১৪ সালে ইনজুরির কারনে খেলতে পারেননি। ২০১১ সালে অবশ্য তিনি রানার্স-আপ হয়েছিলেন। চতুর্থ রাউন্ডে নাদালের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারেন কানাডিয়ান দশম বাছাই মিলোস রাওনিক।

বাসস