তামাক ব্যবহার রোধে সরকার সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। এ জন্য ২০১৬ সালের মার্চ থেকে তামাক অথবা সিগারেট কোম্পানিগুলোকে তাদের পণ্যের প্যাকেটে গ্রাফিক্যাল সতর্কতা প্রদর্শন করতে হবে।
তামাক ব্যবহার থেকে তামাক ভোক্তাদের নিরুত্সাহিত করতে গোটা বিশ্বে সাধারণত সিগারেট বক্সে গ্রাফিক্যাল সতর্কতা প্রদর্শন হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ক্ষেত্রে সরকারগুলোকে সতর্কতা সংকেতের খসড়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।
ডব্লিউএইচও বাংলাদেশের এনসিডি প্রিভেনশন অ্যান্ড হেলথ প্রমোশন টেকনিক্যাল অফিসার টোবাকো কন্ট্রোল ড. সৈয়দ মাহফুজুল হক বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছি। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে সিগারেটের প্যাকেট ওই গ্রাফিক সতর্কতা থাকবে।’ ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রিজিওনাল কমিটির ৬৮তম অধিবেশনের প্রাক্কালে এক সাক্ষাতকারে তামাক বিরোধী প্রচারকর্মী ড. সৈয়দ মাহফুজুল হক এ কথা বলেন।
পূর্ব তিমুরের ডিলিতে ৭ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘ডায়াবেটিক, ক্যান্সার, হূদরোগ এবং ক্রনিক অবসট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজের (সিওপিডি) মতো অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পেছনে প্রধান কারণ তামাক গ্রহণ।’
খবর বাসসের।