চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। এ অঞ্চলে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী ও শতাধিক পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছেন।
চাটমোহর উপজেলায় অন্তত ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। বিন্যাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস চলছে স্থানীয় জামে মসজিদ ও গাছ তলায়। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফের যমুনার পানি বাড়তে শুরু করেছে।
চলনবিলের চাটমোহর, তাড়াশ, গুরুদাসপুর, সিংড়া উপজেলার প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দী রয়েছে। কয়েক শতাধিক পরিবার এখনও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ঝুপড়ি তুলে মানবেতর জীবনযাপন করছে। চলনবিলের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় করতোয়া, গুমানী, বড়ালসহ কয়েকটি নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় চাটমোহর, তাড়াশ, উল্লাপাড়া, ভাঙ্গুড়া, উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। প্রতিদিনই পানি বাড়ছে। তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা।
চলনবিলের তাড়াশের মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুরিয়া, আমবাড়িয়া, মৌশল, দোবিলা, দেবিপুরসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি জীবন যাপন করছে। চাটমোহরের হান্ডিয়াল ইউনিয়নের দরাপপুর, খাঁরপুকুর, ডেফলচড়া, নবীন, হোসেনপু, সিদ্ধিনগর, ছয়ঘাঁটি, পাটিয়াতা, সেনাবাজুসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নিমাইচড়া ইউনিয়নের খন্দবাড়িয়া, চিনাভাতকুর, বিন্যাবাড়ী, করকোলা, বরদানগর,সমাজ, মাঝগ্রাম, গদাই রুপসী ও ছাইকোল ইউনিয়নের কানাইচড়, মিলনচড়, ছাইকোলাসহ বেশকিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। রাস্তা ঘাট পানিতে ডুবে যাওয়া এ সকল গ্রামের মানুষ যোগাযোগে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।