উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় পশুরহাট জয়পুরহাটের পাঁচবিবি গো-হাটি ও জেলা শহরের নতুনহাটে কোরবানীর পশু কেনা-বেচা জমে উঠেছে।
জেলার পশুরহাট ঘুরে জানা যায়, পশুর দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা খুশি। দুই মন মাংস হবে এমন আকারের গরু ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। হাটে ওঠা গরু গুলো প্রকার ভেদে ১৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। ক্রেতাদের পদচারনায় মুখরিত হতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট দুটি।
জেলা শহরের নতুনহাটে গরু কিনতে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়। বিশ্বাসপাড়া এলাকার আবু বক্কর ৩০ হাজার টাকায় কোরবানীর গরু কিনতে পেরে খুশি বলে জানান। বুলুপাড়া থেকে আশা নজরুল ইসলাম এবার গরুর দাম গত বারের চেয়ে কম বলে জানালেন।
পশু বিক্রেতা ভেটী বেলতলী গ্রামের আসলাম হোসেন ছয়টি গরু ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানান। প্রতিটি গরুর মাংশ হবে ১শ থেকে ১শ ১০ কেজি পর্যন্ত। গরুর হাটে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকার গরু উঠেছে। জেলা শহরের নতুনহাট ও পাঁচবিবির পশুর হাট দুটি উত্তরাঞ্চলের বড় পশুরহাট নামে খ্যাত। বর্তমানে হাটে প্রচুর গরুর আমদানি হলেও ক্রেতা সমাগম এখনো সে ভাবে হয়নি বলে জানান গরু ব্যবসায়ী তপন মন্ডল।
সাড়ে ছয় মন মাংস হবে এমন দুটি গরু বিক্রি করেছেন ৮০ হাজার ৫শ টাকায় বলে জানালেন দেউলিয়া গ্রামের এরশাদ আলী। গত বছরের বাজারে ওই গরু দুটির দাম কমপক্ষে ৯০ হাজার টাকা। তুলনামূলক এবার গরুর দাম ছোট বড় হিসাবে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা কম বলে জানান এরশাদ।
জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পশুর হাট গুলোতে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। জাল টাকা সনাক্তকরন মেশিনও বসানো হয়েছে। চাঁদাবাজি বন্ধ ও সাধারন ক্রেতা বিক্রেতারা যাতে টাকা নিয়ে নির্বিঘ্নে বাড়ি পৌছুতে পারে সে জন্য গুরুত্বপুর্ন স্থান গুলোতে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে বলে পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান।