সীতাকুণ্ডে ডাকাত-পুলিশের গুলি বিনিময়ে ৬ পুলিশ আহত, ৬ ডাকাত আটক

সীতাকুণ্ডে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাত ধরতে গিয়ে ডাকাত-পুলিশ গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশের ৬ সদস্য আহত হয়েছে। তবে পুলিশ ডাকাত ৪ জনকে আটক করে এবং অন্য ডাকাতদের ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্রসহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত মালামাল উদ্ধার করেছে।

জানা যায়, গত বুধবার গভীর রাতে পুলিশ সলিমপুর ইউনিয়নস্থ ফকিরহাট কাজীপাড়া  দেওয়ানজী মসজিদের পাশে দরবেশ ইউসুফ আলী বাড়ির সেমি পাকা টিনসেড ঘরের ভিতর আন্তজেলা ডাকাতদলের ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পায়। এ খবর পেয়ে ডাকাতি অভিযানে থাকা পুলিশ পরিদর্শক (সিপি) শ্রী সুমন বণিক ঘটনাস্থলে যায়।

এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল সীতাকুণ্ড) শম্পা রানী সাহা, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলওয়ার হোসেন, ওসি (তদন্ত) মোঃ আফজাল হোসেন, ওসি (অপারেশন) মোঃ জাব্বারুল ইসলামসহ বিপুল পুলিশ অফিসার ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্র ডাকাতরা তাদের ওপর গুলি বর্ষণ শুরু করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় অফিসার ইনচার্জসহ ৬ জন আহত হয়।

আহতরা হলো, অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলওয়ার হোসেন, ওসি (তদন্ত) আফজাল হোসেন, ওসি (অপারেশন) জাব্বারুল ইসলাম, এস আই সুজায়েত হোসেন এবং এস আই হারুন। গুলি বিনিময়ে ডাকাতরা পালিয়ে গেলেও পুলিশ ডাকাত ৪ জনকে ধরতে সক্ষম হয়।

ডাকাতদের ফেলে যাওয়া ১টি বিদেশি রকেট লঞ্চার, ১টি বিদেশি ১ নলা বন্দুক, ১টি বিদেশি টুটু বোর রাইফেল, ১টি দেশিয় তৈরি এলজি, ৮টি রকেট লঞ্চার সেল, ১৮ কার্তুজ গুলি, ১টি কাটার, ১টি হাতুড়ি, ৬ কোড়াবাড়ি (লোহার শাবল) ২টি ও ৫টি লোহার রডসহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত মালামাল ও লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করে। 

আটক ডাকাতরা হলো, মোঃ সোহাগ (৩৪), মোঃ সালাউদ্দিন (৩১), মোঃ কামরুল হাসান (২৬) ও রবিউল হাসান জুয়েল (২২)।

আরও পড়ুনঃ খুলনায় যুবকের খণ্ডিত লাশ উদ্ধার

এ ব্যাপারে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আহত অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলওয়ার হোসেন বলেন, আটক আসামিদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা ও পুলিশের উপর হামলার দায়ের মামলা হবে।

ইত্তেফাক/নূহু